IT and Professional Skills by international trainers at Shanto-Mariam University

13 July 2017

Location: Uttara ,Dhaka

Students of 7th, 8th semester of all programmes and Master's programmes will be offered free courses on IT and Professional Skills by international trainers at Shanto-Mariam University. Certificates will be provided by Bangladesh Computer Council, George Washington University and NASSCOM, India. For details, please see the notice board or contact at 01711649014. Interested students should register names with Mominul Haque/Nigar Sultana at building 5 office room.

Read More

INTERIOR ARCHITECTURE PRACTICE AND EDUCATION IN BANGLADESH

6 July 2017

Location: Jamuna TV,Dhaka

Interior Architecture is a very promising and job oriented subject. Students whoever passed S.S.C and H.S.C with a GPA of 2.5 and above from any discipline regardless of Science, Arts and Commerce can study “BA(Hon.) in Interior Architecture" and Honors Graduate from any discipline with a design background can study " MA in Interior Design". I just want to take the opportunity to let you know that "DEPARTMENT OF INTERIOR ARCHITECTURE of SHANTO-MARIAM UNIVERSITY OF CREATIVE TECHNOLOGY " is the one and only place in the country where " BA(Hon.) in Interior Architecture and MA in Interior Design is taught. Employment rate of the Graduates in BA(Hon.) in Interior Architecture and MA in Interior Design is almost 100%.

Read More

শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির নবীনবরণ

6 July 2017

Location: Uttara,Dhaka

শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ‘নবীনবরণ-২০১৭’ গতকাল সকাল সাড়ে ৯টায় উত্তরার ৮ নং সেক্টরের পলওয়েল কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ও শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির বোর্ড ট্রাস্টি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত, শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ও অন্যতম সদস্য শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির বোর্ড ট্রাস্টি ডা. মো. আহসানুল কবীর, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী মো. মফিজুর রহমান, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আবদুস সালাম, রেজিস্ট্রার স্থপতি হোসনে আরা রহমান, ডিজাইন এন্ড টেকনোলজি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. আবদুল হালিম শেখ, ফাইন এন্ড পারফর্মিং আর্টসের ডিন বীর মুক্তিযোদ্ধা প্রফেসর ড. জামান খান, ম্যানেজমেন্ট এন্ড জেনারেল স্টাডিজ অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মনোয়ার হোসেন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ^বিদ্যালয় প্রক্টর ড. গোলাম মোস্তফা। বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত বলেন, ‘যারা শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির সদস্য হয়েছ, তারা আমার সন্তানতুল্য, তোমরাই এ বিশ^বিদ্যালয়ের প্রাণ। আমি তোমাদের স্বাগত জানাই, প্রাণভরে দোয়া করি। তোমাদের আগমন শতভাগ সফল হোক। আজকে সত্যিকারের সময় এসেছে সবাইকে আপন করে নেয়ার। সবকিছু জানার অধিকার করে দিয়েছে অবাধ তথ্যপ্রযুক্তি।’ জনাব শান্ত বলেন, ‘যে স্বপ্ন ও প্রত্যাশা নিয়ে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ হয়েছে, সেটা এখনো পূরণ হয়নি। জাতির পিতার স্বপ্নের ‘সোনার বাংলা’ এখনো প্রতিষ্ঠা পায়নি, ঘটেনি সাধারণ মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তি, হয়নি সাংস্কৃতিক বিকাশ। আমি আমার জীবনের সবকিছু দিয়ে বঙ্গবন্ধুর সেই ‘সোনার বাংলা’ প্রতিষ্ঠা করতে প্রাণপণ যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছি। আমরা দীর্ঘদিন ধরে যে কর্মমুখী শিক্ষা, সাংস্কৃতিক শিক্ষা, মানবসম্পদ উন্নয়ন ও দূরশিক্ষণের কথা বলে আসছি, তা ইতোমধ্যে উপলব্ধি করতে শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। আমরা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছি যে, আমরা সঠিক পথে ছিলাম ও আছি। আমাদের পাঠ্যসূচিও ছিল যুগোপযোগী। আমাদের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের কেউ বেকার নেই। এটা আমাদের সফলতা, আমাদের স্বীকৃতি।’ প্রধান অতিথি দুঃখ করে বলেন, ‘আমরা এক হতভাগ্য জাতি। আমাদের বার বার পিছিয়ে ফেলার ষড়যন্ত্র হয়েছে, হচ্ছে। আমরা বার বার যুদ্ধ করে এগিয়ে গিয়েছি। আমাদের অফুরাণ প্রাকৃতিক সম্পদ রয়েছে, পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ মানবসম্পদের অধিকারী আমরা। আমাদের ভৌগোলিক অবস্থান পৃথিবীর মানচিত্রে গুরুত্বপূর্ণ। এত সম্ভাবনা সত্ত্বেও ধর্মান্ধ, প্রতিক্রিয়াশীল রাজনীতির কারণে এ জাতি স্বাধীনতার ৪৬ বছর পরও আশানুরূপ সাফল্য অর্জন করতে পারেনি। এ জন্য নিরন্তর সাধনা করতে হবে। আমি তোমাদের মঙ্গল কামনা করি।’ ভাইস চেয়ারম্যান ডা. আহসানুল কবীর নবীনদের উদ্দেশে বলেন, ‘শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটিতে তোমাদের স্বাগত জানাই। এ বিশ^বিদ্যালয় এক বীর মুক্তিযোদ্ধার স্বপ্ন। হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি, জাতির পিতার অসমাপ্ত কাজকে এগিয়ে নিতে যে ক’জন বাঙালি সন্তান নিজের জীবনের সর্বস্ব ত্যাগ করেন, বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত তাঁদেরই একজন। তিনি সকল লোভ-লালসার ঊর্র্ধ্বে উঠে এ অঞ্চলে প্রথম সৃষ্টিশীল ও সাংস্কৃতিক বিশ^বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন। অনেক বাধাবিপত্তিকে পেছনে ফেলে তাঁর স্বপ্নের চারা গাছ আজ মহীরুহে বিস্তৃতি লাভ করেছে। বাংলাদেশের মানুষ এর সুফল ভোগ করছে এখন। তোমাদের পদভারে শান্ত-মারিয়াম বিশ^বিদ্যালয় একদিন দেশের সেরা বিদ্যাপীঠে পরিণত হবে। তোমাদের জ্ঞান-আহরণ হোক-সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে।’ ভাইস চ্যান্সেলর বলেন, ‘এটি কেবল একটি নামসর্বস্ব বিশ^বিদ্যালয় নয়, এ অঞ্চলের মানুষের আশা-আকাক্সক্ষার প্রতীক হিসেবে শান্ত-মারিয়াম বিশ^বিদ্যালয় আজ স্বীকৃত। বিশ^বিদ্যালয়ের কাজ হচ্ছে জ্ঞান সৃষ্টি করা। সাহিত্য-সংস্কৃতি-বিজ্ঞান-প্রযুক্তি সর্বক্ষেত্রে এ বিশ^বিদ্যালয় দৃশ্যমান ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। তাই আগামীর সম্ভাবনাময় বাংলাদেশের জন্য তোমাদের প্রস্তুত হতে হবে। তোমরা জ্ঞান আহরণ কর, নিজেকে মেলে ধরো’। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর আবদুস সালাম বলেন, ‘এটা একটা সৃষ্টিশীল বিশ^বিদ্যালয়। এখানে বাস্তবতার নিরিখে শিক্ষা দেয়া হয়। যা বাংলাদেশের আগামীর প্রেক্ষিত রচনায় ভূমিকা রাখবে। আগামী চারটি বছর তোমাদের সাধনা করতে হবে। যা তোমাদের বাস্তব জীবনের শুভ সূচনা করবে।’ প্রফেসর ড. আবদুল হালিম শেখ বলেন, তোমাদের জীবনযাত্রায় এটি একটি মাইলস্টোন অতিক্রম করছো। আগামীতেও তোমাদের আকাক্সক্ষাকে সফল করতে হবে। পরিশ্রম ছাড়া কেউ কখনো বড় হয়নি, হবেও না। যারা সাহস করে বলতে পারে, ‘পারবো’ কেবল তারাই সফল হবে। তোমরা একা নও, পুরো বিশ^বিদ্যালয় ও ফাউন্ডেশন তোমাদের সাথে আছে।’ প্রফেসর ড. জামান খান বলেন, স্বাধীনতোত্তর বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বাংলাদেশ গড়ার অন্যতম সারথিদের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত। সংস্কৃতিবান মানুষই পারে সমাজকে বদলে দিতে। জনাব শান্ত এ বিশ^বিদ্যালয়কে সংস্কৃতি চর্চার চারণভূমিতে পরিণত করেছেন। এ শিক্ষা অর্জন করে তোমরাই জাগাও দেশ ও জাতিকে।’ প্রফেসর ড. মনোয়ার হোসেন বলেন, ‘যারা উচ্চতর শিক্ষার জন্য এ বিশ^বিদ্যালয়কে বেছে নিয়েছ, তাদের অভিনন্দন জানাই। তোমাদের সিদ্ধান্ত ও লক্ষ্য একসাথে হাত ধরাধরি করে এগিয়ে যাবে।’ অনুষ্ঠানের শুরুতে কোরআন তেলাওয়াত ও তর্জমা করেন শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি ইসলামিক স্টাডিজের বিভাগীয় প্রধান মাওলানা মো. ইসহাক। এরপর নবাগত ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে প্রদর্শিত হয় শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন ও বিশ^বিদ্যালয়ের কার্যক্রম নিয়ে নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র। আলোচনা শুরু হয় ‘শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন থিমসং’ দিয়ে। অনুষ্ঠানের মাঝামাঝি সময় উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী মো. মফিজুর রহমান বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসন, ডিন, বিভাগীয় প্রধানদের নিয়ে মঞ্চে আসেন। পরিচিত হন নবীন শিক্ষার্থীদের সাথে। নবীন শিক্ষার্থীদের নিয়ে ‘র‌্যাফেল-ড্র’ ছিল বেশ উপভোগ্য। র‌্যাফেল-ড্র বিজয়ীদের পুরস্কার বিতরণ করেন চিত্রশিল্পী অধ্যাপক মোস্তাফিজুল হক, চিত্রশিল্পী অধ্যাপক নাসিম আহমেদ নাদভী এবং শান্ত-মারিয়াম ও সিআরআই কনফুসিয়ার্স ক্লাস রুমের চাইনিজ পরিচালক শিয়ে নান আকাশ। ভাগ্যবান ও ভাগ্যবতী ছয় শিক্ষার্থী পুরস্কার জিতে নেন। এসময় মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন জয়েন্ট রেজিস্ট্রার লে. কর্নেল (অব.) আবসুস সালাম মিয়া, ডেপুটি পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক একেএম সিরাজুল ইসলাম ও জয়েন্ট প্রক্টর এম জহুরুল হক। আলোচনা শেষে শুরু হয় বিশ^বিদ্যালয় সঙ্গীত ও নৃত্য বিভাগ পরিবেশিত মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। এতে সঙ্গীত পরিবেশন করেন এম. রেজওয়ানুল হক, সুরাইয়া শাকিলা শুক্লা ও তমা। নৃত্য পরিবেশন করেন বাবু, রুহি, কামরুল হাসান, শফিক ও ইনা। অনুষ্ঠান শেষে ধন্যবাদ বক্তব্য প্রদান করেন বিশ^বিদ্যালয় রেজিস্ট্রার স্থপতি হোসনে আরা রহমান। সঞ্চালনায় ছিলেন ফিরোজ আহমেদ ইকবাল, শিল্পী সুরাইয়া শাকিলা শুক্লা ও অপ্সরা।

Read More

শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের দোয়া মাহফিল ও ইফতার

21 June 2017

Location: Uttara,Dhaka

শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত’র পরলোকগত পিতা-মাতা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের স্মরণে গতকাল বুধবার রাজধানীর আর্মি গলফ ক্লাবের গলফ গার্ডেনে এক দোয়া মাহফিল ও ইফতারের আয়োজন করা হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আ ক ম মোজাম্মেল হক, সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী কর্নেল (অব.) ফারুক খান, ঢাকাস্থ ভারতীয় হাই কমিশনের প্রথম সচিব (শিক্ষা) যিষ্ণু প্রসন্ন মুখার্জি, চাইনিজ অ্যাম্বাসির চার্জ দ্যা অ্যাফেয়ার ছেন ওয়েই, কালচারাল কাউন্সিলর সুইন ইয়েন, সাবেক সেনা প্রধান জেনারেল (অব.) হারুন অর রশীদ, নিরাপত্তা বিশ্লেষক জেনারেল আবদুর রশীদ, শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মো. ইমামুল কবীর শান্ত, ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মো. আহসানুল কবীর, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজী মো. মফিজুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর শামসুন নাহার, রেজিস্ট্রার স্থপতি হোসনে আরা রহমানসহ দেশবরেণ্য ব্যক্তিবর্গ। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মো. আহসানুল কবীর। তিনি বলেন, শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন একজন দেশপ্রেমিক মুক্তিযোদ্ধার স্বপ্ন। মূলত ৪টি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে তিনি মাঠে নামেন। এক. মানবসম্পদের সঠিক ব্যবহার। দুই. প্রাকৃতিক সম্পদের ব্যবহার। তিন. দূরশিক্ষণ বা অনলাইন শিক্ষার প্রসার ও চার. সাংস্কৃতিক শিক্ষার বিকাশ। কর্মমুখী শিক্ষা ও সাংস্কৃতিক শিক্ষা সম্পর্কে মো. ইমামুল কবীর শান্ত গত দু’দশক ধরে যে কথা বলে আসছেন এবং তার পরিকল্পনামাফিক কর্মকা- পরিচালনা করছেন, বর্তমানে সরকারি-বেসরকারি সকল পর্যায়ের উন্নয়নে তা অত্যধিক কার্যকর পরিকল্পনা বলে গ্রহণযোগ্য ও বাস্তবায়ন হতে শুরু করেছে। হলি আর্টিজনের জঙ্গি হামলার পর এ উপলব্ধি আরো প্রবল হয়েছে। সরকার এখন মাদ্রাসা শিক্ষাকে আধুনিকায়ন করছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকে নানা বাধা ও ষড়যন্ত্রকে পেছনে ফেলে শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশন মাথা উঁচু করেই এগিয়ে চলছে। এটিই বাংলাদেশের একমাত্র ব্যতিক্রমী বিশ^বিদ্যালয়। ইফতার অনুষ্ঠানে দোয়া পরিচালনা করেন শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটির ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মাওলানা মো. ইসহাক। রমজানের বিশেষ তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন মাওলানা মনিরুজ্জামান, আবদুল্লাহ আল মামুন ও মুহাম্মদ কামালুদ্দীন।

Read More

শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যানের প্রয়াত পিতা-মাতা স্মরণে দোয়া মাহফিল ও ইফতার

17 June 2017

Location: Uttara,Dhaka

গতকাল শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. ইমামুল কবীর শান্ত-এর প্রয়াত পিতা দ্বীন মোহাম্মদ লস্কর-এর মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে উত্তরার ক্রিয়েটিভ হাব-এ (বাড়ি ৬১, সড়ক ১৪, সেক্টর ১৩) দোয়া মাহফিল ও ইফতারের আয়োজন করা হয়। উক্ত মাহফিলে তাঁর মরহুমা আম্মা ও আত্মীয়-স্বজনের জন্য দোয়া করা হয়। দেশের মানুষ সকল প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বিপদ-আপদ থেকে যেন পরিত্রাণ পায়, সে জন্য আল্লাহর দরবারে প্রার্থনা করা হয়। দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের ভাইস চেয়ারম্যান ডা. মো. আহসানুল কবীর, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির মাননীয় ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. কাজী মো. মফিজুর রহমান, ট্রেজারার প্রফেসর শামসুন নাহার, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যবৃন্দ, ডিনবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী ছাড়াও চেয়ারম্যান মহোদয়ের পরিবারবর্গ। মোনাজাত পরিচালনা করেন বিশ^বিদ্যালয় ইসলামিক স্টাডিজের বিভাগীয় প্রধান সহযোগী অধ্যাপক মো. ইসহাক। -প্রেস বিজ্ঞপ্তি

Read More

শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের এসএ কমিটির ডেটা ম্যানেজমেন্ট ও এসএ রিপোর্ট রাইটিং বিষয়ক কর্মশালা

25 May 2017

Location: Uttara,Dhaka

শিক্ষার মান উন্নয়ন, শিক্ষার্থীদের ধারাবাহিক উন্নতি পর্যবেক্ষণের ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের ডেটা সংরক্ষণ, কারিকুলাম বিষয়ে যতœবান হওয়া এবং সেল্ফ এসেসমেন্ট রিপোর্ট তৈরি করা যে কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। সংশ্লিষ্ট সকলকে জানতে হবে কীভাবে সুনিপুণভাবে ডেটা সংগ্রহ করতে হয়, কারিকুলাম কীভাবে তৈরি করতে হয়, সিলেবাস পর্যালোচনা-পরিবর্ধন-পরিবর্তন কখন কীভাবে করতে হয়, কীভাবে সেল্ফ এসেসমেন্ট করতে হবে। এ বিষয়গুলোকে মাথায় রেখেই গতকাল বৃহস্পতিবার শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির আইকিউএসি (Institutional Quality Assurance Cell)-এর উদ্যোগে উত্তরায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়েটিভ হাব-এ দিনব্যাপী এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় শান্ত-মারিয়াম বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি বিভাগের প্রত্যেক বিভাগ থেকে এসএ কমিটির বিভাগীয় প্রধান ও আরো দু’জন সদস্যসহ তিনজন করে মোট ৩৬ জন এবং আইকিউএসি (Institutional Quality Assurance Cell) থেকে মোট ৬ জন অংশ গ্রহণ করেন। কর্মশালায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর এইচইকিউইপি, কিউএইউ’র প্রধান অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী। অংশগ্রহণকারী বিভাগগুলো হলোÑএফডিটি, এএমএমটি, ডিবিএ, ইংরেজি, জিডিএম, আর্কিটেকচার, ইন্টেরিয়র আর্কিটেকচার, সিএসই এন্ড সিএসআইটি, এসওএ, ল, ফাইন আর্ট এবং মিউজিক। কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রারার স্থপতি হোসনে আরা রহমান, সরকার এবং রাজনীতি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং আইকিউএসির পরিচালক প্র. ড. ইয়াসমিন আহমেদ, আইকিউএসি’র অতিরিক্ত পরিচালক মো. আনোয়ারুল হক প্রমুখ। শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. কাজি মো. মফিজুর রহমান কিছু সময়ের জন্য এসে সকলকে উৎসাহিত করেন। অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী তার বক্তব্য প্রজেক্শনের মাধ্যমে তুলে ধরেন ও সাথে সাথে ব্যাখ্যা করেন। তিনি ডেটা ম্যানেজমেন্টের গুরুত্ব ও এর সুদূরপ্রসারী সুফল তুলে ধরেন এবং ব্যাখ্যা করেন কীভাবে ডেটা সংগ্রহ করতে হবে। যে সমস্ত শিক্ষার্থী প্রথম বর্ষে ভর্তি হলো তাদের বর্তমান অবস্থার ডেটা সংগ্রহ করলে পরবর্তীতে তাদের উন্নতি কতটা হলো তা মূল্যায়ন করা সহজ হবে। কীভাবে এই ডেটা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করতে হবে সে বিষয়েও বিশদ আলোচনা করেন তিনি। তিনি কারিকুলাম বিষয়েও আলোচনা করেন। তিনি বলেন, আপনাদের সবাইকে শিক্ষার লক্ষ্য, উদ্দেশ্য এবং বিষয় সম্পর্কে সম্যক ধারণা থাকতে হবে। কারিকুলাম সম্পর্কে ধারণা থাকতে হবে। কারিকুলাম বিষয়ে পর্যালোচনাকে তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেন, কারিকুলাম একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারিকুলাম ৪ বছর পর পর পরিবর্তন করতে হবে। তবে এর মধ্যেও এলামনাই, শিক্ষার্থী এবং অন্য শিক্ষকদের সাথে আলোচনার মাধ্যমে যদি কোনো বিষয়কে পুরাতন বা সময়োপযোগী মনে না হয় তবে তা বাতিল করা যাবে। আবার যদি সাম্প্রতিক কোনো গবেষণা বা কোনো বিষয় যদি পড়ানো জরুরি বলে মনে তবে অবশ্যই তা আলোচনা সাপেক্ষে সিলেবাসে অবশ্যই সংযোজন করা যাবে। তবে অবশ্যই এই পরিবর্তন হতে হবে সমাজের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে। ইচ্ছে মতো পরিবর্তন করলে চলবে না। মূল বক্তব্য উপস্থাপন ও প্রশ্নোত্তর পর্বের পর পরই ব্যবহারিক পর্ব শুরু হয়। এ পর্বও পরিচালনা করেন অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী। প্রত্যেক বিভাগের অংশগ্রহণকারী সদস্যগণ আলাদাভাবে তাদের রিপোর্ট তৈরি করেন এবং সবার সামনে তা উপস্থাপন করে দেখান। উল্লেখ্য, এসএ কমিটি মানে সেল্ফ এসেসমেন্ট কমিটি। এই কমিটি গঠনের ব্যাপারে ইউজিসির একটি বিশেষ ভূমিকা ও নির্দেশনা আছে। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর কিউএইউ’র এইচইকিউইপি’র অধীনে আইকিউএসির তত্ত্বাবধানে এই এসএ কমিটি গঠন করা হয়েছে। প্রাইভেট-পাবলিক দুই ধরনের বিশ্ববিদ্যালয়েই এসএ কমিটি রয়েছে। প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সাথে সরাসরি সম্পৃক্ত এসএ কমিটি। ইউজিসি তথা এসএ কমিটি বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের উন্নয়ন, শিক্ষকদের শিক্ষাদান ক্ষমতা ও অন্যান্য উন্নয়ন এবং সামগ্রিকভাবে ডিপার্টমেন্টগুলো যাতে আন্তর্জাতিক মানে নিজেদের উন্নীত করতে পারে, সে ব্যাপারে ব্যাপকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ঈধঢ়ঃরড়হ গতকাল বৃহস্পতিবার শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির আইকিউএসি-এর উদ্যোগে উত্তরায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রিয়েটিভ হাব-এ দিনব্যাপী এক কর্মশালার আয়োজন করা হয়। কর্মশালায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ১২টি বিভাগের প্রত্যেক বিভাগ থেকে এসএ কমিটির বিভাগীয় প্রধান ও দুজন সদস্য অংশগ্রহণ করেন। কর্মশালায় মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)-এর এইচইকিউইপি, কিউএইউ’র প্রধান অধ্যাপক ড. সঞ্জয় কুমার অধিকারী।

Read More

‘শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ইনফরমেশন টেকনোলজির প্রদর্শনী সম্পন্ন

25 May 2017

Location: Uttara,Dhaka

শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজি কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং ডিপার্টমেন্ট ৯ম ব্যাচ ও কম্পিউটার সাইন্স অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজি ডিপার্টমেন্টের ৬ষ্ঠ ব্যাচের ছাত্রছাত্রীদের ‘মাইক্রোকন্ট্রোলার ভিত্তিক প্রজেক্ট প্রদর্শনী’ গত ২৫ মে বুধবার বিশ^বিদ্যালয়ের ৫ নং বিল্ডিং-এ অনুষ্ঠিত হয়। ছাত্রছাত্রীরা তাদের প্রজেক্ট ডিপার্টমেন্টের ল্যাবরেটরি কক্ষে অভ্যন্তরীণ এ প্রজেক্ট প্রদর্শন করেন। এতে চারটি প্রজেক্টে মোট ১৬ ছাত্রছাত্রী অংশ নেন। গ্রুপ-এ ইস্ট্রিট লাইট অ্যান্ড অটোমেটিক রেলওয়ে গেট কন্ট্রোল নিয়ে কাজ করেন মো. ইমরান হোসেন রিয়াদ, মেহজাবিন রাদিয়া, এস. এম. শোয়েব ও তাহমিনা আক্তার জ্যোতি। এরা স্বয়ংক্রিয় ইস্ট্রিট লাইট কন্ট্রোলের মাধ্যমে বিদ্যুতের অপচয় রোধ এবং স্বয়ংক্রিয় রেইলগেট কন্ট্রোল করে দুর্ঘটনা রোধ করার সম্ভাবনা নিয়ে এ প্রজেক্ট উপস্থাপিত হয়। গ্রুপ-বি প্রজেক্টের নাম ‘স্মার্টফোন কন্ট্রোল রোবট কার’। এটি স্মার্টফোন দ্বারা কন্ট্রোল করা হবে। যেকোন স্থানে কার প্রেরণ করাও সম্ভব। এ প্রজেক্টের সদস্যরা হলেন ফয়েজ আহমেদ, রুকাইয়াজ্জামান রুপা, তামান্না ইয়াসমিন তমা ও অংকুর খান। গ্রুপ-সি প্রজেক্ট হলো ‘হোম সিকিউরিটি অটোমেশন’। এ প্রজেক্টের কাজ হলো রুমের মধ্যে মানুষ প্রবেশ করলেই তাকে কেন্দ্র করে ফ্যান ও লাইট জ্বলবে আর বের হয়ে গেলে ফ্যান-লাইট অটোমেটিক বন্ধ হয়ে যাবে। এতে অংশ নেন মো. শরিফ শাহরিয়ার, সামিয়াতুজ্জান্নাত তন¦ী, জাবের-আল- সালেহ ও ইমরুল কায়েস। গ্রুপ-ডি হলো ‘ডিসপ্লে অব প্রোপেলার’। মাত্র ৫টি খঊউ লাইট ব্যবহার করে, যেকোন ধরনের লেখাকে এ প্রজেক্টের মাধ্যমে ডিসপ্লে করা হয়। গ্রুপ সদস্যরা হলেন ওমর সিদ্দিক পারভেজ, ফয়েজ-উন- নিসা স্বাতী, শাহ রোকনুজ্জামান ও ডালিয়া ইসলাম তিন্নি। এ প্রদর্শনীতে অতিথি ছিলেন শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি অনুষদের ডীন, প্রফেসর ড. মো. আব্দুল হালিম শেখ, প্রক্টর ড. মো. গোলাম মোস্তফা ও জয়েন্ট প্রক্টর মো. জহুরুল হক। এছাড়াও বিভাগীয় শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীরা উপস্থিত ছিলেন। প্রফেসর ড. মো. আব্দুল হালিম শেখ এ প্রজেক্ট প্রদর্শন করার জন্য ছাত্রছাত্রীদের আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি বলেন- ‘ভবিষ্যতে এ ছাত্রছাত্রীরাই আরও ভালো কিছু প্রজেক্ট উপস্থাপন করে আমাদের মুখ উজ্জ্বল করবে।’ এ জন্য তিহনি বিভাগীয় প্রধান, প্রফেসর ড. মো. আবু সাঈদ, সহকারী অধ্যাপক এ এইচ সোহেল আহমেদসহ অন্যান্যদের সাধুবাদ জানান। প্রক্টর ড. মো. গোলাম মোস্তফা বলেন- ‘প্রজেক্টগুলি অনেক ভালো হয়েছে। এরাই আগামীতে আমাদের এবং শান্ত-মারিয়ম বিশ^বিদ্যালয়কে রিপ্রেজেন্ট করবে।’ জয়েন্ট প্রক্টর মো. জহুরুল হক প্রজেক্টের জন্য ছাত্রছাত্রীদের ধন্যবাদ জানান এবং শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ^াস দেন। বিভাগীয় প্রধান প্রফেসর ড. মো. আবু সাঈদও ছাত্রছাত্রীদের প্রশংসা ও ধন্যবাদ জানান। উপস্থাপনায় ছিলেন বিভাগীয় শিক্ষক শাম্মি আক্তার ডলি।

Read More

‘শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ইন্টেরিয়র আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের ২০তম ব্যাচের ফাইনাল থিসিস জুরি’

23 May 2017

Location: Uttara,Dhaka

এই অঞ্চলের প্রথম ক্রিয়েটিভ বিশ্ববিদ্যালয় শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ইন্টেরিয়র আর্কিটেকচার বিভাগের অষ্টম সেমিষ্টারের ২০তম ব্যাচের শিক্ষার্থীদের ফাইনাল থিসিস জুরি গতকাল মঙ্গলবার সকাল ১০.০০ টায় উত্তরাস্থ শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ক্রিয়েটিভ হাবে অনুষ্টিত হয়। উক্ত ফাইনাল জুরিতে উপস্থিত ছিলেন শান্ত-মারিয়াম ফাউন্ডেশনের ভাইস-চেয়ারম্যান ডা: আহসানুুল কবির, শান্ত-মারিয়াম ইউনিভার্সিটি অব ক্রিয়েটিভ টেকনোলজির ফ্যাকাল্টি অব ডিজাইন এন্ড টেকনোলজির ডিন প্রফেসর ড. আবদুল হালিম শেখ, রেজিষ্ট্রার স্থপতি হোসনে আরা রহমান, কন্ট্রোলার অব এক্সাম প্রফেসর আব্দুস সালাম, হেড অব ইন্টেরিয়র আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্ট স্থপতি এএফএম মহিউদ্দিন আখন্দ, হেড অব আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্ট স্থপতি সেলিনা আফরোজ, ইন্টেরিয়র আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের কো-অর্ডিনেটর ফারহানা চৌধুরী। অনুষ্ঠান আয়োজনে ছিলেন ইন্টেরিয়র আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের ফ্যাকাল্টি মেম্বার পালওয়ান হায়দার, সৈয়দ নোমান মাহমুদ, জান্নাতুল তাবাসছুম এবং জান্নাতুল ফেরদৌস নিলা। উক্ত ফাইনাল থিসিচ জুরিতে এক্সটারনাল হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আর্কিটেক্ট হারুন জাফর, আর্কিটেক্ট আমিনুল হক ও আর্কিটেক্ট হেলাল উদ্দিন (চিফ আর্কিটেক্ট এল.জি.ই.ডি.)। ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীরা জুরি সদস্যদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানিয়ে সম্মান প্রদর্শন করে। জুরি সদস্যরা ইন্টেরিয়র আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের ২০তম ব্যাচের ফাইনাল থিসিস জুরিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতার প্রশংসা করেন পাশাপাশি তাদের কাজের পর্যালোচনা করে উপদেশ প্রদান করেন। আজ সকাল ১০.০০ টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. কাজি মো: মফিজুর রহমান উপস্থিত থেকে শিক্ষার্থীদের প্রজেক্ট উপর ভিত্তি করে এক বর্ণাঢ্য এক্সিবিশনের উদ্বোধন করবেন। উক্ত জুরিতে মোট ২৩জন শিক্ষার্থীদের সক্রিয় অংশগ্রহণে ২০তম ব্যাচের ফাইনাল থিসিস জুরি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এ জুরি অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ইন্টেরিয়র আর্কিটেকচার ডিপার্টমেন্টের শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন।

Read More

BTEC Certificate Award Ceremony-2017

Time: 7pm, 19 February 2017

Location: Uttara,Dhaka

Read More

Award Giving Ceremony by CRI-SMF CONFUCIUS ClASS ROOM (China)

Time: 7pm, 15 March 2017

Location: Uttara,Dhaka

Read More

Blood Donation on Foundation day of University

Time: 7am, 21 February 2017

Location: Uttara,Dhaka

Read More